মেনু নির্বাচন করুন

দর্শনীয় স্থান

ক্রমিক নাম কিভাবে যাওয়া যায় অবস্থান
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ে চট্টগ্রাম বদ্দারহাট হতে বাস যোগে কাপ্তাই যেতে হবে। কাপ্তাই বিপিডিবি রিসিভসন গেইট হতে অনুমতি নিয়ে স্পিলওয়ে দেখতে যেতে হবে। কাপ্তাই
কর্ণফুলী হ্রদ নৌ-ভ্রমণের জন্য রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি ও পর্যটন ঘাটে ভাড়ায় স্পীড বোট ও নৌযান পাওয়া যায়। যার ভাড়ার পরিমাণ ঘন্টা প্রতি স্পীড বোট ঘন্টায় ১২০০-১৫০০/- এবং দেশীয় নৌযান ৫০০-৮০০/- টাকা। কাপ্তাই উপজেলা
পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু রাঙ্গামাটি শহরের তবলছড়ি হয়ে সড়ক পথে সরাসরি ‘পর্যটন কমপ্লেক্সে’ যাওয়া যায়। এখানে গাড়ি পার্কিং-য়ের সুব্যবস্থা রয়েছে। যারা ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে সার্ভিস বাসে করে আসবেন তাদের তবলছড়িতে নেমে অটোরিক্সাযোগে রিজার্ভ করে (ভাড়ার পরিমাণ আনুমানিক ৮০-১০০/-) যেতে হবে। তবলছরী ডিয়ার পার্ক, তবলছড়ি, রাঙ্গামাটি।
সুবলং ঝর্ণা রাঙ্গামাটির রিজার্ভ বাজার, পর্যটন ঘাট ও রাংগামাটি শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে স্পীড বোট ও নৌ-যানে করে সহজেই সুবলং যাওয়া যায়। যার ভাড়ার পরিমাণ ঘন্টা প্রতি স্পীড বোট ঘন্টায় ১২০০-১৫০০/- এবং দেশীয় নৌযান ৫০০-৮০০/- টাকা। শুভলং, বরকল উপজেলা।
উপজাতীয় যাদুঘর যাদুঘরটি সকলের জন্য উম্মুক্ত। রাঙ্গামাটি সদর
কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান যাতায়াত ব্যবস্থাঃ-রাঙ্গামাটি থেকে জল ও স্থল উভয় পথেই কাপ্তাই যাওয়া যায় (সময় লাগে ১ থেকে ২ ঘন্টা) বাস, মাইক্রো, অটোরিক্মা, ইঞ্চিনচালিত বোটযোগে যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট হতেও বাস/মাইক্রো বাসযোগে কাপ্তাই যাওয়া যায়। কাপ্তাই নতুন বাজার যাওয়ার আগে কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান গেটে নামতে হবে। কাপ্তাই উপজেলা
পেদা টিং টিং রাঙ্গামাটির রিজার্ভ বাজার, পর্যটন ঘাট ও রাংগামাটি বিভিন্ন স্থান থেকে স্পীড বোট ও নৌ-যানে করে সহজেই যাওয়া যায়। কাপ্তাই হ্রদ
টুকটুক ইকো ভিলেজ রাঙামাটি শহর থেকে টুক টুক ইকো ভিলেজে যাওয়ার জন্য শহরের রিজার্ভ বাজারের শহীদ মিনার এলাকা থেকে রয়েছে নিজস্ব বোটের ব্যবস্থা। জনপ্রতি ভাড়া ২০ টাকা। জেলা সদরের বালুখালী ইউনিয়নের কিল্ল্যামুড়া এলাকা
যমচুক রাংগামাটি জেলা সদর থেকে দেশীয় ইঞ্জিন বোটে খারিক্ষ্যং, ত্রিপুরাছড়া এবং মাচ্চ্যাপাড়া হয়ে প্রায় ৪ ঘন্টা পায়ে হেটে যমচুক এলাকা যাওয়া যায়। যমচুগ এলাকাটি থেকে পুরো বন্দুক ভাংগা এলাকায় অবলোকন করা যায়। বন্দুক ভাংগা ইউনিয়ন
১০ শ্রদ্ধেয় বনভান্তের জন্ম স্থান মোরঘোনায় স্মৃতি স্তম্ভ ও স্মৃতি মন্দির(নির্মাণাধীণ)। রাঙ্গামাটি শহর থেকে রাঙ্গামাটি-আসামবস্তী -কাপ্তাই সড়কে বড়াদম পর্যন্ত যে কোন যানবাহনে যাওয়া যায়। রাঙ্গামাট সদর উপজেলাধীন ২ নং মগবান ইউনিয়নের বড়াদম নামক জায়গায় অবস্থিত।
১১ পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুল

চট্রগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়ক ঘেষে ১নং বেতবুনিয়া মডেল ইউনিয়নে পাহাড়ীকা সিনেমা হলের ১০০ গজ সামনে যানবাহন থেকে নামা মাত্রই পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুলে যাওয়া যাবে।

১নং বেতবুনিয়া মডেল ইউনিয়ন পরিষদ, কাউখালী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
১২ রাঙ্গামাটি ফুড প্রোডাক্টস ১নং বেতবুনিয়া মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড ডাকবাংলো, চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কের পাশ ঘেষে রাঙ্গামাটি ফুড প্রোডাক্টস অবস্থিত। গাড়ী থেকে নেমেই মাত্র ১০ গজ সামনে। ইচ্ছে করলে ঘুরে আসতে পারবেন। ১নং বেতবুনিয়া মডেল ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড ডাকবাংলো, চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কের পাশে।
১৩ রাইংখ্যং পুকুর যাতায়াত ব্যবস্থাঃ-ঢাকা থেকে শ্যামলী, মডার্ণ ও এস.আলম বাসে করে কাপ্তাই এসে কাপ্তাই জেটিঘাটস্থ লঞ্চঘাট থেকে ইঞ্জিনবোটে করে বিলাইছড়ি আসবেন। বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে ৩/৪ ঘন্টার মধ্যে বিলাইছড়ি আসা যায়। কেউ চট্টগ্রাম থেকে বিলাইছড়ি আসলে বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে প্রথমত কাপ্তাই জেটিঘাটে আসবেন। প্রতিদিন সাড়ে ৭ টায় রাঙ্গামাটির তবলছড়ি ঘাট থেকে ইঞ্চিনবোট যাত্রী নিয়ে সকাল ১০ টার মধ্যে বিলাইছড়ি পৌছেঁ। ওই বোটটি আবার বিলাইছড়ি থেকে দুপুর ২ টার মধ্যে রাঙ্গামাটির উদ্দেশ্যে ছাড়ে। এটি বিলাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত হলেও বিলাইছড়ি-ফারুয়া হয়ে এখানে যোগাযোগ করা অত্যন্ত কষ্টকর। কেউ চাইলেও পায়ে হাঁটা ছাড়া বিকল্প নেই। বিলাইছড়ি থেকে বড়থলি যেতে প্রায় ৭ দিন সময় লাগে। তাই এখানকার লোকজন বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা দিয়ে এখানে আসা-যাওয়া করে। বড়থলি ৯নং ওয়ার্ড, ফারুয়া ইউপি, বিলাইছড়ি উপজেলা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
১৪ নির্বানপুর বন ভাবনা কেন্দ্র রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি রোড এর পশ্চিম পাশে কুতুকছড়ি নামক স্থানে প্রতিষ্ঠাতা হয়। রাঙ্গামাটি সদর হতে কুতুকছড়ি ১৫ কিলোমিটার। উক্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নানাবিধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ প্রতিবছর দানোত্তম কঠিন চিবরদান উদযাপন করা হয়। এতে কয়েক হাজার পূন্যার্থী সমাগম হয়। বন ভাবনা কেন্দ্রে সড়ক পথে গাড়ী যোগে সরাসরি যাওয়া যায়। কুতুকছড়ি. সদর, রাংগামাটি।
১৫ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সেনায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ স্মৃতি ভাস্কর্য রাংগামাটি চট্টগ্রাম সড়ক সংলগ্ন সাপছড়ি নামক স্থানে অবস্থিত। সদর উপজেলা থেকে আটো রিক্সা এবং চট্টগ্রাম গামী বিভিন্ন যানের মাধ্যমে উক্ত স্থানে যাওয়া যায়।এখানে বিভিন্ন পর্যটক শীত কালীন সমযে ভীড় জমায়। সাপছড়ি, সদর, রাংগামাটি।
১৬ রাজবন বিহার যাতায়াত ব্যবস্থাঃ-টিটিসি রোড দিয়ে কিংবা রাঙ্গামাটি জিমনেসিয়াম এর পাশের রাস্তা দিয়ে অটোরিক্মা কিংবা প্রাইভেট গাড়ি কিংবা অন্য কোন মটরযানে রাজবন বিহারে যাওয়া যায়। নৌপথে বিভিন্ন বোটযোগেও এখানে যাওয়া যায়। রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি পাবর্ত্য জেলা।
১৭ ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজার রাজবাড়ি যাতায়াত ব্যবস্থাঃ-অটোরিক্মা কিংবা প্রাইভেট গাড়িযোগে কে.কে.রায় সড়ক হয়ে হ্রদের এই পাশে যেতে হবে। অতঃপর নৌকাযোগে হ্রদ পার হয়ে রাজবাড়িতে যাওয়া যাবে। কাপ্তাই হ্রদের মাধ্যমে নৌপথেও এ স্থানে আসা যায়। রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি পাবর্ত্য জেলা।
১৮ উপজাতীয় টেক্মটাইল মার্কেট যাতায়াত ব্যবস্থাঃ-শহরের যে কোন স্থান থেকে অত সহজেই এখানে যাওয়া যায়। অটোরিক্মা বা প্রাইভেট গাড়ি ইত্যাদি যাতায়াত মাধ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। দুরত্ব অনুযায়ী ভাড়া পড়বে। তবলছড়ি, রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
১৯ রাঙ্গামাটি ডিসি বাংলো শহরের যে কোন জায়গা হতে অটোরিক্মা বা প্রাইভেট গাড়ি বা নৌপথে রাঙ্গামাটি ডিসি বাংলোতে যাওয়া যাবে। রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি পাবর্ত্য জেলা।
২০ ফুরমোন পাহাড় শহর থেকে অটোরিক্মা কিংবা অন্য কোন মটরগাড়িযোগে পাহাড়ের পাদস্থলে যাওয়া যাবে। পরে হেঁটে পাহাড়ে উঠতে হবে। রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি পাবর্ত্য জেলা।

সর্বমোট তথ্য: ৩৭